আজ | রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১
Search

প্রচ্ছদ খেলা কর্মের জন্য ক্ষমা চাইলেন সাকিব

OK-JPEG-3759168ec421e56f385a33f292ccb96c1623415113.jpg

কর্মের জন্য ক্ষমা চাইলেন সাকিব

চাহিদা নিউজ ডেস্ক | ৬:৩৮ অপরাহ্ন, ১১ জুন, ২০২১

আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে আম্পায়ারের সঙ্গে বাজে আচরণ, আবাহনী কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের সঙ্গে ঝগড়া- সব মিলিয়ে ফের দেশের ক্রিকেটে আলোচনায় এসেছেন সাকিব আল হাসান। আজ শুক্রবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচে এমন ঘটনা ঘটেছে। এরপর আবাহনীর ড্রেসিংরুমে গিয়ে সুজনের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মোহামেডান অধিনায়ক সাকিব। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সাকিব।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে সাকিব লিখেছেন, 'প্রিয় ভক্তবৃন্দ, এভাবে মেজাজ হারিয়ে একটা ম্যাচ নষ্ট করার জন্য এবং যারা ঘরে বসে খেলা দেখছিলেন তাদের কষ্ট দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার মতো একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের এমন আচরণ করা কখনই উচিত নয়। আমি আমার দল, ম্যানেজম্যান্ট, টুর্নামেন্ট অফিসিয়ালস এবং সাংগঠনিক কমিটির কাছে এই মানবিক ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছি। আশা করিছি, ভবিষ্যতে কখনই আর এমন কাজ করব না। সবাইকে ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা।'

ঘটনার সূত্রপাত আবাহনীর রান তাড়ার পঞ্চম ওভারে। সাকিবের প্রথম ওভারে টানা দুই বলে ছক্কা-চার মারেন আবাহনী অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ওই ওভারের শেষ বলে মুশফিকের প্যাডে বল লাগলে এলবিডব্লিউর আবেদন করেন সাকিব। কিন্তু আম্পায়ার তাতে সাড়া না দিলে চটে যান সাকিব। পরে এক পদক্ষেপ এগিয়ে বাঁ পায়ে লাথি মারেন স্টাম্পে। আম্পায়ার ইমরান পারভেজের সঙ্গে ক্ষিপ্ত ভঙ্গিতে কথা বলতেও দেখা যায় তাকে। এই পর্ব চলে বেশ কিছুক্ষণ।

এ কাণ্ডের দ্বিতীয় পর্ব ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলের পর। তখন বৃষ্টি শুরু হলে মাঠকর্মীদের দিকে ইশারায় কাভার আনতে বলেন আম্পায়ার মাহফুজুর রহমান। সাকিব তখন আবার আম্পায়ারের দিকে এগিয়ে যান, কিছু একটা বলতে দেখা যায় তাকে। এরপর হুট করেই তিনটি স্টাম্পই তুলে আছাড় মারেন মাটিতে।

এবারও আম্পায়ারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি বাধে তার। পরে এগিয়ে গিয়ে উপড়ে ফেলা স্টাম্পের একটি নিয়ে উল্টো করে আবার মাটিতে পোঁতার চেষ্টা করতে দেখা যায় তাকে।

এখানেই শেষ নয়। বৃষ্টি নামার পর দুই দলের খেলোয়াড়রা যখন ড্রেসিংরুমে ফিরে যাচ্ছেন, তখন সাকিব তেড়ে যান আবাহনীর ড্রেসিং রুমের দিকে। বাইরে বেরিয়ে আসা আবাহনী কোচ খালেদ মাহমুদের দিকে ক্ষিপ্ত সাকিব তেড়ে যান কিছু বলতে বলতে। এসময় মোহামেডানের ক্রিকেটাররা থামান সাকিবকে।

প্রথমে ব্যাটিং করে মোহামেডান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ১৪৫ রান।২৭ বলে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন সাকিব। আবাহনীর পক্ষে এ কে এস স্বাধীন ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে আবাহনী। ২.৩ ওভারে ৯ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। তারপর বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তখন উইকেটে ছিলেন নাজমুল হোসেন ও মুশফিকুর রহিম। আবাহনীর সংগ্রহ ছিল ৫.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ৩১।

২০১৮ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে নিদাহাস ট্রফির গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মেজাজ হারিয়েছিলেন সাকিব। ক্রিকেট মাঠে মেজাজ হারানোর এমন ঘটনা বারবার আলোচিত হয়েছে নানা প্রসঙ্গে।

আপনার মন্তব্য লিখুন