আজ | সোমবার, ১০ মে ২০২১
Search

প্রচ্ছদ বিদেশ ‘বাংলাদেশে মানুষ খেতে পাচ্ছে না বলে ভারতে অনুপ্রবেশ করছে’

amit-1-08ce98b8cc5d181ea7df6731a562752d1618345796.jpg
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ -ফাইল ফটো

‘বাংলাদেশে মানুষ খেতে পাচ্ছে না বলে ভারতে অনুপ্রবেশ করছে’

নিউজ ডেস্ক | ২:২৯ পূর্বাহ্ন, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কথা বলেছেন। বাংলাদেশে গরিব মানুষ খেতে পাচ্ছে না বলেই তারা পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ করছে। এরপর তারা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
ভারতের একটি পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-


এখন থেকে পাঁচ বছর পর অমিত শাহ নিজেকে কোথায় দেখেন?

অমিত শাহ: আমি তো নিজেকে বিজেপিতেই দেখি। দেখুন, দলই আমাদের ভূমিকা তৈরি করে দেয়। ব্যক্তিগত ভাবে কিছু ভাবার ভূমিকা আমার আছে বলে অন্তত আমি মনে করি না।


পশ্চিমবঙ্গ জিতে গেলে তো আর জীবনে চ্যালেঞ্জ থাকবে না। অমিত শাহের পরের চ্যালেঞ্জ কী হবে?  

অমিত শাহ: না-না। প্রচুর চ্যালেঞ্জ আছে। উড়িষ্যা বাকি আছে। তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কেরালা বাকি আছে। বিন্ধ্য পর্বতমালার ওপারে অনেক রাজ্য বাকি আছে। প্রচুর কাজ।

গত ১০-১৫ বছরে বাংলাদেশের তো আর্থিক উন্নয়ন হয়েছে। তা-ও কেন লোকে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ করছে?

অমিত শাহ: এর দুটো কারণ আছে। এক, বাংলাদেশের উন্নয়ন সীমান্ত এলাকায় নিচুতলায় পৌঁছয়নি। যে কোনও পিছিয়ে-পড়া দেশে উন্নয়ন হতে শুরু করলে সেটা প্রথম কেন্দ্রে হয়। আর তার সুফল প্রথমে বড়লোকদের কাছে পৌঁছায়, গরিবদের কাছে নয়। এখন বাংলাদেশে সেই প্রক্রিয়া চলছে। ফলে গরিব মানুষ এখনও খেতে পাচ্ছে না। সে কারণেই অনুপ্রবেশ চলছে।

আর যারা অনুপ্রবেশকারী, তারা যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই থাকছে, তা নয়। তারা তো ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। জম্মু-কাশ্মীর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। দ্বিতীয়, আমি মনে করি এটা প্রশাসনিক সমস্যা। প্রশাসনিক ভাবেই এর মোকাবিলা করতে হবে। সেটা পশ্চিমবঙ্গের সরকার করেনি। সূত্র: ইন্টারনেট

তিনি বলেন, পরিশেষে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে জোড়হাতে বলতে চাই, আপনারা বহু দিন কংগ্রেসকে শাসন করার সুযোগ দিয়েছেন। তিন দশক কমিউনিস্টদের শাসন করার সুযোগ দিয়েছেন। এক দশক মমতাদিকে শাসন করার সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু বাংলার অনুন্নয়নই হয়েছে। একবার আপনারা নরেন্দ্র মোদীকে সুযোগ দিন। বিজেপিকে সুযোগ দিন।

পাঁচ বছরে আমরা যে সংশোধন করব, তাতে বাংলা আবার ‘সোনার বাংলা’ হওয়ার অভিমুখে এগোবে। এটা আমি সত্যিই বিশ্বাস করি। বিশেষত, কলকাতার ভাই-বোন-নাগরিকদের বলছি, কলকাতায় পরিবর্তন না হলে বাংলাতেও পরিবর্তন হবে না। বাংলাকে আবার দেশে তার পুরোন গৌরবের জায়গাটা ফিরিয়ে দিতে হলে সবচেয়ে আগে কলকাতাবাসীকে পরিবর্তন করতে হবে। কলকাতার নাগরিকেরা সেই উদ্যোগ নিন, যোগ করেন অমিত শাহ।

আপনার মন্তব্য লিখুন