আজ | শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১
Search

প্রচ্ছদ বিদেশ পায়ের গোড়ালির আঘাত নিয়ে হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Mamata-at-SSKM-8f906e8db13348cd09c690e03b53f3381615501647.jpg
পায়ে চোট নিয়ে SSKM হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গঠিত হয়েছে ৯ সদস্যের মেডিক্যাল টিম। ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকবেন মমতা।

পায়ের গোড়ালির আঘাত নিয়ে হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ডেস্ক নিউজ | ৪:২৭ পূর্বাহ্ন, ১২ মার্চ, ২০২১

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা-সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট রয়েছে। হাঁটু সামান্য ফুলে রয়েছে। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মমতার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তবে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা। এ নিয়ে শুক্রবার বৈঠক করবে মেডিক্যাল বোর্ড। ফলে মুখ্যমন্ত্রী কবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন, তা নির্ভর করছে ওই বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের উপরেই।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মমতাকে যে সব ওষুধ দেওয়া হয়েছে তা কাজ করছে। তবে চিকিৎসকদের নজরে তাঁর গোড়ালির ব্যথা। ইতিমধ্যেই ফের এক বার মমতার সিটি স্ক্যান এবং এক্স রে করা হয়েছে।

মমতা ভর্তি রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডের সাড়ে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। মমতার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডে এসএসকেএম-এর অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ৩ বিভাগীয় প্রধান এবং আরও ৫ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। রয়েছেন অর্থোপেডিক, নিউরো সার্জারি, নিউরো মেডিসিন, জেনারেল সার্জারি, কার্ডিয়োলজি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেসিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞরা।  সূত্র: ইন্টারনেট

বুধবার এসএসকেএম-এ আনার পর, ওই দিন রাতেই তাঁকে বাঙুর ইনস্টিটিউড অব নিউরোসায়েন্সে নিয়ে গিয়ে এমআরআই করা হয়। হাড়ে চিড় ধরা পড়ায় পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকেই একটি ভিডিয়ো বার্তা দেন মমতা। তাতে পায়ে এবং লিগামেন্টে চোটের কথা উল্লেখ করেন তিনি। 

তবে, যন্ত্রণা কিছুটা কম বলেই হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। পায়ের আঘাতে ক্ষতি কতটা হয়েছে তা জানতে ফের বাঙুরে এমআরআই-সহ একাধিক ইমেজিং পরীক্ষা করার কথা চিকিৎসকদের। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, ভূমি ও ভূমিসংস্কার, তথ্য ও সংস্কৃতি, পর্বতাঞ্চল বিষয়ক, কৃষি, বিদ্যুৎ, কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার, সংখ্যালঘু কল্যাণ ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগেরও ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। তিনি একজন বাগ্মী রাজনীতিবিদ। তাকে প্রায়শই দিদি বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। এছাড়াও তাকে অগ্নিকন্যাও বলা হয়। ২০১১ সালে তার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছিল। এই সরকার বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সময় গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার ছিল। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে তিনি দুই বার রেল, এক বার কয়লা মন্ত্রকের এবং এক বার মানবসম্পদ উন্নয়ন, যুব, ক্রীড়া, নারী ও শিশুকল্যাণ বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন।

তিনি পশ্চিমবঙ্গে কৃষকদের জমি বলপূর্বক অধিগ্রহণ করে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের বিরোধিতা করে আন্দোলন করেছিলেন। তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

২০১২ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির একজন হিসেবে অভিহিত করেছিল।ব্লুমবার্গ মার্কেটস তাকে ২০১২ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাবশালী ৫০ ব্যক্তির তালিকায় রেখেছিল। ২০১৮ সালে স্কচ বর্ষসেরা মুখ্যমন্ত্রী সম্মাননা লাভ করেন। 

আপনার মন্তব্য লিখুন